এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ইকুইটি পুঁজিবাজারে প্রথমবারের মতো প্রবেশ করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে যথাযথ আইন-কানুন, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং বাজার পরিস্থিতি সাপেক্ষে প্রস্তাবিত এ তহবিল সংগ্রহ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গতকাল সিটি গ্রুপের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
অন্যান্য অর্থায়ন বিকল্পের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও অর্থায়নের চাহিদা মেটাতে টেকসই একটি উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে বেছে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি গ্রুপ। এ উদ্যোগ নতুন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া অর্থায়নের বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারে নাম লেখাতে অন্যান্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানকেও উৎসাহিত করবে, যা দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তাবিত এ তহবিল সংগ্রহের জন্য তাদের ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসি। এতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), প্রাইভেট ইকুইটি, প্রেফারেন্স শেয়ার, করপোরেট বন্ড, সুকুক বা অনুমোদিত অন্য যেকোনো পুঁজিবাজার উপকরণ থাকতে পারে। লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস সব ধরনের বিধিবিধান ও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন সাপেক্ষে ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট পুঁজিবাজার কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবে।
উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে একত্র করে উপযুক্ত অর্থায়ন কাঠামো তৈরি করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। এ প্রস্তাবিত লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ব্যাংকিং সেবা ও অবকাঠামো দিতে ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসির সঙ্গে কাজ করবে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান, সিটি গ্রুপের স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক ফারজানা রহমান এবং শম্পা রহমান, লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসির পরিচালক ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, ওয়ান ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান প্রমুখ।